অগ্রক্রয় সংক্রান্ত আইনের লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
অগ্রক্রয় সংক্রান্ত আইনের লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

অগ্রক্রয় সংক্রান্ত আইনের বিধানাবলী

অগ্রক্রয় সংক্রান্ত আইনের বিধানাবলী


ক্ষতিপূরণ প্রদানের আদেশ

আদালতে আবেদনকারীর আবেদন মঞ্জুর হলে আদালত প্রতিপক্ষকে আদালতে জমা অর্থ হতে নিম্নরূপ অর্থ পরিশোধের আদেশ দিতে পারেন:

১। কবলার প্রকৃত বিক্রয় মূল্য

২। বিক্রয় মূল্যের ১০% টাকা ক্ষতিপূরণ

৩। কবলার তারিখ হতে ক্রেতা কর্তৃক পরিশোধিত খ

৪।  জমি কোথাও দায়বদ্ধ থেকে থাকলে তা মুক্তির জন্য ব্যয়িত অরর্থ

৫। জমির উন্নয়ন বা উত্কর্ষ সাধনের জন্য কোনো টাকা ব্যয় হয়ে থাকলে সে টাকা

আদেশের বিরুদ্ধে আপিল

অগ্রক্রয় মামলার রায়ে কোনো পক্ষ সংক্ষুদ্ধ হলে ১৯৫০ সলের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্ট এর ৯৬ (১২) ধারার বিধান অনুসারে জেলা জজের আদালতে আপিল করতে পারবেন। আপিলে প্রদত্ত আদেশই চূড়ান্ত বলে গণ্য হবে অর্থাত্‍ অগ্রক্রয় মামলায় দ্বিতীয় আপিল নেই ।

১।  অগ্রক্রয় মামলায় রায়ের পর সিদ্ধান্ত লাভকারী পক্ষের উপর সম্পত্তির সকল স্বত্ব স্বার্থ ও অধিকার বার্তাবে

২।  অগ্রক্রয়ের আবেদনকারীর সংশ্লিষ্ট জমিতে আদালতের মাধ্যমে দখল পাবার অধিকারী হবেন ।

যে সকল অবস্থায় অগ্রক্রয় অধিকার প্রয়োগ করা যায় না

১। অগ্রক্রয়ের অধিকার কোনো অখন্ডনীয় অধিকার নয়। কার্যক্রম রুজু অবস্থায় কেউ সহ-শরিকের মর্যাদা হারালে তাঁর আর এ অধিকার প্রয়োগের অধিকার থাকে না

২। নির্ধারিত সময়ের মধ্যে দরখাস্ত দাখিল করতে ব্যর্থ হলে এ অধিকার থাকে না ।

৩। আপোষ ডিক্রীর মাধ্যমে কোনো সম্পত্তি হস্তান্তরে সম্মতি দান করলে সেক্ষেত্রে সম্মতি দানকারী ব্যক্তির আর অগ্রক্রয়ের অধিকার থাকে না ।

৪। কোনো না-দাবীনামা হস্তান্তর দলিল হিসেবে গণ্য হয় না । তাই এরূপ না-দাবীনামা রেজিস্ট্রি করা হলেও এর ভিত্তিতে অগ্রক্রয় অধিকার চলবে না । দান বা হেবা বিল-এওয়াজ এর ক্ষেত্রে এ অধিকার চলবে না । পৌর এলাকার অন্তর্গত এলাকায় ১৯৫০ সলের স্টেট একুইজিশন এন্ড টেনান্সি এক্ট এর ৯৬ ধারার বিধান অনুসারে অগ্রক্রয় যোগ্য নয় । বিক্রেতার নিকট বিক্রিত ভূমি পুনহস্তান্তরের ক্ষেত্রে এ অধিকার চলবে না অগ্রক্রয়ের অধিকারী পক্ষগণ নির্ধারিত সময়ের মধ্যে অধিকার প্রয়োগে ব্যর্থ হলে তাদের অধিকার নষ্ট হয়ে যাবে । যে হস্তান্তর অগ্রক্রয়যোগ্য নয় মূল শরিকের নিকট জমি বিক্রির ক্ষেত্রে বন্টনের মাধ্যমে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে
স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উইল বা দান মূলে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

ওয়াকফ্ এর মাধ্যমে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

১। ধর্মীয়দাতব্য বা কোন ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

২। স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উইল বা দান মূলে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

৩। ওয়াকফ্ এর মাধ্যমে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

৪। খাই-খালাসি বন্ধকের মাধ্যমে জমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

Read More

প্রিয়েমশন (Pre-emption)/অগ্রক্রয়।

প্রিয়েমশন (Pre-emption)/অগ্রক্রয়।


যে হস্তান্তর অগ্রক্রয়যোগ্য নয়

১। মূল শরিকের নিকট জমি বিক্রির ক্ষেত্রে

২। বিনিময়, বন্টনের মাধ্যমে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

৩।  স্বামী-স্ত্রীর মধ্যে উইল বা দান মূলে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

৪।  ওয়াকফ্ এর মাধ্যমে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

৫। ধর্মীয়, দাতব্য বা কোন ব্যক্তি বিশেষের উপকারার্থে হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

৬। খাই-খালাসি বন্ধকের মাধ্যমে জমি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে

৭।  অকৃষি জমির অগ্রক্রয় অধিকার


আপিলের বিধান : রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইন, ১৯৫০-এর ৯৬(১২) ধারা অনুযায়ী আদালতের আদেশের বিরুদ্ধে একবার আপিল করা যাবে। কিন্তু ওই আপিলের রায়ের বিরুদ্ধে আর দ্বিতীয় আপিল করা যাবে না। তবে প্রথম আপিলের সিদ্ধান্তের বিরুদ্ধে ১৯০৮ সালের দেওয়ানি কার্যবিধির ১১৫ ধারা অনুযায়ী Revision দায়ের করা

Read More

অগ্রক্রয়/ প্রিয়েমশান

অগ্রক্রয়/ প্রিয়েমশান
অগ্রক্রয়/ প্রিয়েমশান-আইনের বর্তমান অবস্থা, 
অন্যদের চেয়ে একজনের অগ্রাধিকারের ভিত্তিতে কোনো জমি বা জমির খন্ড ক্রয় করাকে অগ্রক্রয় বা প্রিয়েমশন বলা হয়। মূলত নালিশি খতিয়ানের প্রজাদের স্বত্ব দখলীয় জমি ভোগ-দখলের সুবিধা দেওয়ার জন্য তাদের আইনে এ অধিকার দেওয়া হয়েছে। ১৯৫০ সালের রাষ্ট্রীয় অধিগ্রহণ ও প্রজাস্বত্ব আইনের ৯৬ ধারার বিধানে ২০০৬ সালে ২০ সেপ্টেম্বর কয়েকটি যুগান্তকারী পরিবর্তন আনা হয়েছে।
আগে নালিশি খতিয়ানের সব শরিক প্রজা অগ্রক্রয়ের মামলা করতে পারত, কিন্তু বর্তমানে শুধু নালিশি খতিয়ানের উত্তরাধিকারীসহ শরিকেরা এ অধিকার প্রয়োগ করতে পারবে।
আগের আইনে প্রার্থীকে নালিশি জমির দলিলে উল্লিখিত বিক্রয় মূল্যের সঙ্গে মাত্র ১০ শতাংশ ক্ষতিপূরণের টাকা চালানযোগে কোর্টে জমা দিতে হতো। এখন প্রার্থীকে ক্ষতিপূরণ জমা দিতে হবে বিক্রয় মূল্যের ২৫%ও নালিশি জমি রেজিস্ট্রির তারিখ থেকে মামলা দায়ের তারিখ পর্যন্ত আট শতাংশ সরল সুদ। উল্লেখ্য, কবলা ক্রেতা নালিশি জমি কেনার পর যদি তাতে উন্নয়ন বা সংস্কারমূলক কোনো কাজ করে থাকে, তাহলে উপযুক্ত তদন্ত সাপেক্ষে ওই কাজে ব্যয়িত অর্থ এবং কবলাক্রেতা নালিশি জমির খাজনা বা দায়মুক্তির জন্য কোনো অর্থ দিয়ে থাকলে সে অর্থও কোর্ট যুক্তিসংগত সময়ের মধ্যে প্রার্থীকে জমা দেওয়ার জন্য নির্দেশ দেবেন।
আগে নালিশি বিক্রির বিষয় অবগত হওয়ার বা নালিশি জমি রেজিস্ট্রি হওয়ার তারিখ থেকে চার মাসের মধ্যে মামলা করা যেত। এখন এ সময় করা হয়েছে মাত্র দুই মাস।
আগে মূলত নালিশি দলিলের ওপর অগ্রক্রয় হতো, তাই এ দলিলটা পুনরায় রেজিস্ট্রি করার দরকার হতো না, প্রার্থনা মঞ্জুর হলে প্রার্থীর ওপর ওই দলিলটা বর্তাত। কিন্তু নতুন আইনে প্রার্থী মামলায় জিতলেও তাকে ওই জমি কবলাক্রেতা প্রতিপক্ষের কাছ থেকে আবার রেজিস্ট্রি করে নিতে হবে।
আগে নালিশি খতিয়ানের উত্তরাধিকারী, কবলাক্রেতা, সংলগ্ন জমির মালিক সবাইকে প্রতিপক্ষ শ্রেণীভুক্ত করতে হতো নতুবা পক্ষদোষ ঘটত। নতুন আইন মোতাবেক যেহেতু শুধু উত্তরাধিকারী প্রজাদের এ অধিকার রয়েছে, তাই এখন কেবল তাদের প্রতিপক্ষ শ্রেণীভুক্ত করলেই চলবে।
উল্লেখ্য, দান, উইল, বিনিময়, বাটোয়ারা, ওয়াকফ, দেবোত্তর, খাইখালাসি বন্ধকমূলে কোনো সম্পত্তি রেজিস্ট্রি করে হস্তান্তর করলে সে ক্ষেত্রে প্রিয়েমশন কেস করা যাবে না বা হবে না। আর কোনো জমি রেজিস্ট্রি হওয়ার তিন বছর পর এ মামলা করা যায় না।
Read More