দলিল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান
দলিল লেবেলটি সহ পোস্টগুলি দেখানো হচ্ছে৷ সকল পোস্ট দেখান

রেজিষ্ট্রি দলিলের আবশ্যকীয় শর্তাবলী /উপাদান সমূহ

রেজিষ্ট্রি দলিলের আবশ্যকীয় শর্তাবলী /উপাদান সমূহ

 

রেজিষ্ট্রি দলিলের আবশ্যকীয় শর্তাবলী /উপাদান সমূহ:

একটি রেজিষ্ট্রি দলিলে নিমড়ববর্ণিত শর্তাবলী পালন করতে হয় অন্যথায় দলিলটি স্বয়ং সম্পূর্ণ হবেনা:

১। শিরোনামঃ দলিলটি কো ধরণের দলিল তা প্রথম বর্ণনায় উলেলখ করতে হবে। যেমন: সাফকবলা, বায়নাপত্র আম- মোক্তারনামা ইত্যাদি।

২। পক্ষগণের পরিচয়ঃ দান গ্রহীতা, প্রথম পক্ষ, দ্বিতীয় পক্ষ ইত্যাদি। নাম বা প্রতিষ্ঠানের নাম, পিতার নাম, পেশা, ধর্ম, জাতীয়তা বাসস্থান ইত্যাদি। অর্থাৎ কোন কোন পক্ষের মধ্যে দলিলটি সম্পাদন ও রেজিষ্ট্রি হচ্ছে তার বর্ণনা।

৩। বিক্রীত স্বত্বের বর্ণনাঃ স্বত্বের ইতিহাস, পূর্বের দলিল নম্বর ইত্যাদি। অর্থাৎ বিক্রেতা সম্পত্তিটি কোন সূত্রে অর্জন করেছেন তার বিবরণ। তা নামে খতিয়ান ও জমা খারিজ আছে কিনা।

৪। পণঃ পণ ব্যতিরেকে কোন চুক্তি বৈধ হয় না। মনে রাখা আবশ্যক পনের লেনদেন স্বাভাবিক রীতি অনুযায়ী হতে হবে। অবাস্তর, অবিশ্বাস্য বা সন্দেহজনক পনের বিনিময়ে কোন সম্পত্তি হস্তান্তরিত হলে পরিনামে দলিলটি বাতিল হতে পারে।

৫। দখলঃ বিক্রিত সম্পত্তির দখল বুঝে দেওয়া হলো কিনা তা দলিলে উল্লেখ করতে হবে। দখল না বুঝে দিলে দলিলের প্রধান শর্ত অপূর্ণ রয়ে গেল।

৬। রক্ষিত শর্তাবলীঃ দাতা গ্রহীতার অর্জিত সম্পত্তির অধিকারসমূহের কিয়দংশ সংরক্ষিত রেখে দলিল সম্পাদন করতে পারেন।

৭। দন্ড বিষয়ক অংশঃ জমি জমার ক্রয় বিক্রয়ের ব্যাপারে প্রতারণার নজির ভুরি ভুরি রয়েছে। তাই প্রতারণামূলক কার্যের বিরুদ্ধে রক্ষাকবচ হিসাবে দন্ড বিষয়ক ব্যবস্থাদির দলিলে লিপিবদ্ধ রাখতে হয়।

৮। তারিখঃ দলিলে অবশ্যই তারিখ থাকতে হবে। দলিলে তারিখ না থাকলে উহা বাতিল বরে গণ্য হয়। বাংলা তারিখের সহিত ইংরেজি তারিখও দেওয়া উচিত।

৯। তফসিল বর্ণনাঃ বিক্রয়াধীন সম্পত্তির তফসিল বর্ণনা দলিলের নির্দিষ্ট অংশে উল্লেখ রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। ইহাতে ভুল থাকলে সমস্ত দলিলের উদ্দেশ্য ব্যর্থ হইতে বাধ্য। তফসিলে জমির পরিমাণ, মৌজা, থানা, রেজিষ্ট্রী অফিস, জেলা, খতিয়ান নম্বর, দাগ নম্বর, জমির শ্রেণী, তৌজি, জমির চৌহদ্দি অর্থাৎ উত্তরে, দক্ষিণে, পূর্বে ও পশ্চিমে অবস্থানকারীম ব্যক্তি ও সম্পত্তির নাম, খাজনা ও করের পরিমাণ সম্পত্তির কোন হোল্ডিং নম্বর ও ওয়ার্ড নম্বর থাকলে তাহাও দলিলে উল্লেখ করতে হয়।

১০। দস্তখতঃ দলিল দাতা দলিলের উপরিভাগ দক্ষিণ পার্শ্বে ও শেষ পৃষ্ঠায় নীচে স্বাক্ষর করবেন। কোন কোন দলিলে একাধিক পক্ষের দস্তখত দিতে হয়। দলিলে পক্ষগণের স্বাক্ষর বা টিপ পর্ব শেষ হবার পর দলিল লেখকের নাম, সাকিন ও দুই তিন জন সাক্ষীর নাম ও সাকিন লিখতে হবে।

১১। কৈফিয়তঃ দলিল লিখবার সময় কোন স্থানে ভূল, কাটা, মোছা বা অস্পষ্ট হলে উহার পৃষ্ঠা ও লাইন ক্রম উল্লেখ করে দলিলের শেষাংশে কৈফিয়ত হিসাবে তাহা লিখে দলিল লিখক তাহার নীচে সহি করবেন।

১২। বিবিধঃ দলিল পরিস্কার ও পরিচ্ছন্নভাবে লিখিত হওয়া আবশ্যক। দলিল লিখতে ভাল কালি ব্যবহার করা দরকার। তবে বর্তমানে কম্পিউটার প্রযুক্তি ব্যবহৃত হওয়ায় লিখিত দলিল খুব কমই রেজিষ্ট্রেশনের জন্য উপস্থাপিত হচ্ছে।

১৩। বিক্রেতার নামে খতিয়ান থাকতে হবে। বিক্রিত সম্পত্তির নক্শা ম্যাপ ইত্যাদি থাকলে তাহা অনুচ্ছেদ স্বরূপ মূল দলিলের সহিত যুক্ত করে দিতে হবে।

Read More

কি করে জাল দলিল চিনবেন

কি করে জাল দলিল চিনবেন

১।  সাব-রেজিস্ট্রি অফিসে দলিলের প্রকৃতি অনুযায়ী চারটি রেজিস্ট্রার বা ভলিউমে লেখা হয়ে থাকে। কোনো দলিল নিয়ে সন্দেহ হলে রেজিস্ট্রি অফিসে সংরক্ষণ করা দলিলের সাল মিলিয়ে দেখতে হবে। এ জন্য নির্দিষ্টভাবে দরখাস্ত করতে হবে। এতে দলিলটির যাবতীয় তথ্য দিতে হবে।

২।  এক জমির একাধিক মালিকের নামে করা থাকলে ধরে নিতে হবে দলিলটি জাল হতে পারে। এ ক্ষেত্রে সরেজমিনে গিয়ে স্থানীয় লোকজনের সঙ্গে কথা বলে মূল মালিক কে, তা নির্ণয় করতে হবে।

৩। অনেক সময় স্বাক্ষর জালিয়াতি করে দলিলদাতা বা গ্রহীতার সাজা হয়। এ ক্ষেত্রে স্বাক্ষর বিশেষজ্ঞের মাধ্যমে স্বাক্ষরের সত্যতা যাচাই করিয়ে নেওয়া যেতে পারে। এ ছাড়া ভূমি অফিস থেকে বিভিন্ন সিল পরীক্ষা করেও জালিয়াতি নির্ণয় করা যায়

খেয়াল রাখতে হবে, অনেক আগের দলিলে আগের চিহ্নিত কিছু সিল ব্যবহারই থাকে। আগের দলিল কিন্তু সিল যদি নতুন হয়, তাহলে ধরে নিতে হবে, দলিলটি জাল হতে পারে। একই সঙ্গে তারিখটিও ভালোভাবে যাচাই করতে হবে। দলিল রেজিস্ট্রির তারিখ কোনো সরকারি বন্ধের দিন থাকলে সন্দেহের অবকাশ থাকবে। অনেক সময় অর্পিত সম্পত্তি বা মৃত ব্যক্তির সম্পত্তি জীবিত দেখিয়ে জাল করা হয়।

৪।   সহকারী কমিশনার (ভূমি) অফিস থেকে জমির মিউটেশন বা নামজারি সম্পর্কে খোঁজ নিতে হবে। নামজারিতে ধারাবাহিকতা ঠিক আছে কি না, সেটা সুচারুভাবে পর্যবেক্ষণ করতে হবে। যদি দেখা যায়, সিএস জরিপের সঙ্গে বিক্রেতার খতিয়ানের কোনো গরমিল আছে, তাহলে বুঝতে হবে, কোনো জটিলতা আছে। সবচেয়ে গুরুত্বপূর্ণ হচ্ছে, জরিপ খতিয়ানে জমির পরিমাণ পরবর্তী সময়ে যতবার বিক্রি হয়েছে, তার সঙ্গে জমির পরিমাণ মিল আছে কি না, তা যাচাই করে দেখা। দাগ নম্বর, ঠিকানা এসব ঠিক আছে কি না, এসব যাচাই করতে হবে।

৫।  জমির স্বত্ব কী বা মালিকানা যাচাই করতে হবে। বিক্রেতার কাছ থেকে সব দলিল, বিশেষ করে ভায়া দলিল চেয়ে নিতে হবে। সাব-রেজিস্ট্রি অফিস থেকে জানতে হবে সব দলিলের ক্রমিক নম্বর, দলিল নম্বর ঠিক আছে কি না।

৬।  সম্প্রতি কোনো আমমোক্তারনামা দলিল থাকলে তাতে উভয় পক্ষের ছবি ব্যবহার হয়েছে কি না যাচাই করতে হবে।

৭।  কোনো দান করা জমি হলে দলিলে সম্পাদনের তারিখ দেখে কবে জমিতে গ্রহীতা দখলে গেছে তা যাচাই করতে হবে। দলিলটি রেজিস্ট্রি করা কি না এবং দলিলদাতার সঙ্গে গ্রহীতার সম্পর্ক কী, তা যাচাই করতে হবে।

৮।  সম্প্রতি সম্পন্ন হওয়া কোনো বিক্রীত দলিলের দলিল লেখকের নাম ঠিকানা জেনে সরেজমিন কথা বলে নেওয়া দরকার।

৯।  দলিল সম্পাদনের সময় ব্যবহূত স্ট্যাম্পের পেছনে কোন ভেন্ডার থেকে স্ট্যাম্প কেনা হয়েছে এবং কার নামে কেনা হয়েছে খেয়াল রাখুন। প্রতিটি স্ট্যাম্পের পেছনে একটি ক্রমিক নম্বর উল্লেখ থাকে। এ নম্বরটি ঠিক আছে কি না, প্রয়োজনে স্ট্যাম্প বিক্রেতার সঙ্গে দেখা করে যাচাই করে নিন।

Read More

জাল দলিল বাতিলের মামলা করার বিধান

জাল দলিল বাতিলের মামলা করার বিধান

(১) জাল দলিল রেহিস্ট্রি হয়ে থাকলে তা বাতিলের মামলা করা যাবে সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ১৮৭৭ এর ৩৯ ধারা অনুসারে দেওয়ানি আদালতে।

(২) আদালত বিচার শেষে যো ডিক্রি প্রদান করবেন তার একটি নকল সংশ্লিষ্ট রেজিস্ট্রি অফিসে প্রেরণ করতে হবে। উক্ত নকলের কপি পেয়ে রজিস্ট্রারিং অফিসার সংশ্লিষ্ট বালাম বহিতে দলিল বাতিলের বিষয়টি লিটিবদ্ধ করে রাখবেন।

(৩) জাল দলিল বাতিল না হলে যিনি ক্ষতিগ্রস্ত হবেন তিনি এ মামলা করেত পারেন। অর্থাত সম্পত্তিতে যার স্বার্থ আছে তিনিই কেবল এ মামলা করতে পারবেন।

(৪) একাধিক ব্যক্তি পক্ষ হলে তাদের সবাই বা যে কোন জন মামলা করতে পারবেন।

(৫) সম্পত্তির মালিক বেঁচে থকলে ভবিষ্যত উত্তরাধিকারী মামলা করতে পারবেন।

(৬)নাবলকের সম্পত্তি জাল দলিলের মাধ্যমে হাতিয়ে নিলে ঐ নাবালকের অভিবাবক বা ঐ নাবালক সাবালকত্ব অর্জনের পর সে নিজে মামলা করতে পারবেন।

(৭) যিনি কোন দলিলকে জাল বা জোর পূর্বক সম্পাদিত বলে দবি করবেন তাকে তার দবির সত্যতা প্রমাণ করতে হবে। (সাক্ষ্য আইন ১০১ ধারা, ২৬ ডিএলআর ৩৯২)

(৮)দলিল বাতিলের মামলা করার জন্য কোর্ট ফি আইনের দ্বিতীয় তফসিলে ১৭(৩) অনুচ্ছেদ উল্লিখিত হারে কোর্ট ফি প্রদান করতে হবে।

(৯) জাল দলিল সম্পর্কে জানার ৩ বছরের মধ্যে ঐ দলিল বাতিলের মামলা করতে হাবে। নচেত তা তামাদি দোষে বাতিল হবে (তামদি আইন ১ম তফসিলের ৯৩ অনু:)

(১০) দলিল আংশিক বাতিলের মামলা করা যাবে (সুনির্দিষ্ট প্রতিকার আইন ৪০ ধারা)।

(১১) দলিল বাতিলের মামলার সাথে অন্য প্রতিকার যেমন-দখল পাবার প্রার্থনাও কারা যাবে তবে এর জন্য অতিরিক্ত কোর্ট ফি দিতে হবে। (কোর্ট ফি আইন ৭(৪)(গ) ধারা)।

(১২) জাল দলিল বাতিলের মামলা ছাড়াও দলিল জারকারীর শান্তি দাবি করে ফৌজদারি আদালতে দন্ড বিধির ৪০৬/৪২০/৪৬৩-৮৭৩ ধারায় মামলা করা যাবে।

Read More

কবলা দলিল সম্পর্কে উচ্চআদালতের সিদ্ধান্ত

কবলা দলিল সম্পর্কে উচ্চআদালতের সিদ্ধান্ত


১। একটি দলিলে চৌহদ্দি এবং জমির পরিমান দুটি উলেখ করা হয়েছে।এ দুইয়ের মধ্যে পরিমানগত পার্থক্য দেখা দিলে চৌহদ্দির উলেখিত পরিমান এ কেক্ষে আদিকতর গ্রহনযোগ্য হবে।[12 DLR 266]
২। বিনিময় দলিল রেজিস্ট্রিকৃত না হল,তাহা দ্ধারা সম্পওির মালিকানা হস্তান্তরিত হয় না ।[19 DLR 192, dlr 464]
৩। বিক্রয় তখনি বৈধ ও চূরান্ত হয়,যখন বিক্রয় দলিল রেজিষ্ট্রীকৃত হয়[PLD 1981 SC {A.J-k}103,19DLR 192]
৪। একই দাতা কতৃক একই সমপওি হস্তান্তরের ক্ষেত্রে দুইি কবলার রেজিষ্ট্রী তারিখ হতে যে কবালার সম্পদন আগে তা স্বত্বের প্রশ্নে প্রধান্য পাবে।[1988 BLD{AD}73,15 DLR,77]
৫। ক্রয়কৃত সম্পওিতে দাতার আইনানুগ স্বত্ব না থাকার কারনে ক্রতা দাতার বিরুদ্ধে ক্ষতি পুরনের মামলা করতে পারে।[27 CWN 1025]
৬। একটা দলিলের দ্তগন ভিন্ন ভিন্ন ভাবে মলিক, এরুপ বিভিন্ন সম্পওি সম্পর্কে বিভিন্ন দাতা একত্রে একটা দলিল সম্পাদন করলে অনিয়ম হবে না।[34 GLR {AD} 361]
৬। এটি আইনে একটি উত্তম প্রতিষ্টিত নীতি যে একটি রেজিষ্টীকৃত কবলা হলো স্বস্তের পক্ষে একটি প্রমাণ বা যা খতিয়ান এর উপর প্রধান্য পায়। [32 DLR {BD} -61}
৭। দাগে যে পরিমান জমির কথা উলেখ করা রয়েছে, সে পরিমাণ জমি দলিলে উলেখ করা হলে, আদালত ঐ দাগে সম্পূর্ণ জমির জন্য সে অধিকারী মর্মে সিদ্ধান্ত প্রদান করতে পারে। পরবর্তীতে জরীপে এ জমির পরিমাণ বাড়তি হতে পারে। [14 W.R 439]
৮। দলিলের উলেখিত পরিমাণের বাইরে অতিরিক্ত জমির জন্য ভূ-স্বামী অতিরিক্ত পাওনা দাবী করতে পারে না। [44 IC 241]
Read More

না-দাবী দলিল

না-দাবী দলিল

না-দাবী দলিল

কোন সম্পত্তি বা ব্যক্তির উপর যখন কোন প্রকার দাবী দাওয়া থাকে না, সেরুপ ক্ষেত্রে দলিলের আকারে উক্ত দাবি দাওয়া না থাকার কথা লিখতে হলে তা না-দাবী দলিল রুপে লিখতে হবে। দুই প্রকার বিষয় সম্পর্কে সাধারণত না-দাবী লিখতে হয়।

১। না-দাবী দলিল মূলে কয়েক প্রকার বন্ধক নামার দাবি ত্যাগ করা হয়।এরুপ না-দাবী দলিলের রেজিস্ট্রেশন ফীস আর্টিক্যার(ই) অনুসারে দিতে হয়।

২। অন্যান্য প্রকার দবিপত্র, এই প্রকার না- দাবী দলিলমূলে কোন সম্পত্তিতে বা কোন ব্যক্তির উপর যে কোন প্রকার দাবি দাওয়া নাই লিখিত থাকে। এরুপ ক্ষেত্রে রেজিস্ট্রেশন ফীস আর্টিক্যার(এ) অনুসারে দিতে হয়।

সকল প্রকার না-দাবী দলিলে স্ট্যাম্প সিডিউলের ৫৫ অনুসারে দিতে হয়।

(ক) যে সম্পত্তির দান, বিক্রয়, ওয়ারিশী পত্তন বা রেকর্ডীয় মালিক হিসাবে প্রাপ্ত ঐ সম্পত্তির উপর কোন ব্যক্তির না-দাবী দলিলের দ্ধারা ঐ দান গ্রহিতা, ক্রেতা, ওয়ারিশ বা মালিকের স্বত্ব বিনষ্ট হবে না। না-দাবী দলিলের দ্ধারা সম্পত্তির স্বত্ব হস্তান্তর হয় না।

(খ) কোন সম্পত্তিতে কোন ব্যক্তি স্বত্ব ছাড়া অর্থাত স্বত্ব বিহিন অবস্হায় বসবাস বা ভোগ দখল করতে থাকলে সেক্ষেত্রে ঐ ব্যক্তি স্বত্বধীন মালিকের বরাবরে দখল ছেড়ে দিয়ে ঐ ব্যক্তি কর্তৃক না-দাবী দলিল সৃষ্টি হতে পারে। যার কোন সম্পত্তিতে কোন উপায়ে মালিকানা সৃষ্টি হয়নি কেবল তার দ্ধারা না-দাবী দলিল সম্পাদন হতে পারে।

(গ)না-দাবী দলিল অর্থ বা সম্পত্তির উপর সৃষ্টি করা যায় । না-দাবী দলিল সম্পত্তি হস্তান্তর বিষয়ক দলিরের পরিপূরক হিসাবে গণ্য হবে না। না-দাবী দলিল দ্ধরা কেবল কোন কিছুর দাবী ত্যাগ করা হয়, স্বত্ব হস্তান্তর হয় না বা কারো স্বত্ব এর দ্ধারা সৃষ্টি হয় না।

Read More